বুধবার, ২৪ Jun ২০২৬, ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন
বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার সমালোচনা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, শিক্ষার নামে আমরা অশিক্ষা-কুশিক্ষা গ্রহণ করছি। যদি এভাবে চলতে থাকে তাহলে বাংলাদেশের পরিণতি কী হবে। তাহলে এটা কি সরকারের উদ্দেশ্য- অশিক্ষা-কুশিক্ষা দিয়ে দেশ ধ্বংস করা?
শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে নাগরিক ফোরামের এক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মঈন খান বলেন, শিক্ষা জিনিসটা আসলে কি সেটা অনেকে অনেকভাবে ব্যাখ্যা দিয়েছে। কিন্তু আমি মনে করি আদিম সমাজে হাজার বছর আগে মানুষ যেভাবে বসবাস করত আর আজকের সভ্য সমাজে যেভাবে বসবাস করে এই দুইয়ের মধ্য যে ব্যবধান তাই শিক্ষাব্যবস্থা। এবং শিক্ষা মানুষকে পরিবর্তিত করেছে। জঙ্গলে বসবাস করা আদিম মানুষকে আজকের সভ্য সমাজে নিয়ে এসেছে- এটাই শিক্ষার মূল কথা। যদি আজকে শিক্ষাব্যবস্থায় এমন কিছু ঘটে যেটা আবার সভ্য সমাজ থেকে আদিম সমাজে নিয়ে যাবে যাচ্ছে তাহলে আমরা কোন শিক্ষা বরণ করছি। আজকে সরকার কোন শিক্ষা ব্যবস্থার প্রচলন করেছে সেটা প্রত্যেক নাগরিকের প্রশ্ন। শুধু শিক্ষকসমাজ সুধী সমাজ নয় প্রত্যেক সাধারণ মানুষকে এই শিক্ষাব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে।
তিনি বলেন, নতুন সিলেবাস বা পাঠ্যক্রম নিয়ে যে ছিনিমিনি খেলা করা হচ্ছে তা কার প্ররোচনায় হচ্ছে? সেটা কি উদ্দেশ্য করা হচ্ছে- তা জানা দরকার। প্রতিটি দেশে একটা নিজস্ব চিন্তাধারা মানসিকতা ধর্ম কৃষ্টি ও সংস্কৃতি থাকে। পরিপন্থী কিছু দেশের মানুষের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয় সেটা ভালো না। আর এটায় হচ্ছে আমাদের ওপর।
বিএনপির এই নেতা বলেন, বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় ১০০০টির মধ্য আমাদের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নেই। কিন্তু প্রথম ১০০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় ৫০ থেকে ৭৫টি বিশ্ববিদ্যালয় আমেরিকার। এর দ্বারা প্রমাণিত আমেরিকা অর্থনীতি এবং শিক্ষা সবক্ষেত্রে শক্তিশালী।